ঢাকা, ২রা ডিসেম্বর, ২০২২ ইং

ক্যাসিনো পরিচালনা সহ নানা অভিযোগে সমালোচিত নবীনগরের মোমিনুল হক সাঈদ

বিজয়নগর

নিউজ

প্রকাশিত: ৬:৫১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯

ডেস্ক নিউজ : মোমিনুল হক সাঈদ ওরফে সাঈদ কমিশনার এখন এক আলোচিত নাম। আইন শৃঙ্খলাবাহীনির চলমান জুয়ার ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানে বারবার উঠে আসছে তার নাম।ফকিরেরপুলের ইয়ংমেন্স ক্লাবের পাশে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের পরিচালনার দ্বায়িত্বে আছেন দক্ষিণ সিটির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোমিনুল হক সাঈদ। তার সহযোগী ৯ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগ সভাপতি মোল্লা কাউসার। এখানে জুয়ার বোর্ড রয়েছে ১২টি। এখান থেকে মদ, বিয়ার ও বিপুল অঙ্কের টাকা উদ্ধার করা হয়।

যুগান্তরের “পতনের মুখে যুবলীগের ক্যাসিনো সাম্রাজ্য জুয়ার আসরের শত শত কোটি টাকা গেল কই, গডফাদাররা ধরা পড়বে তো -প্রশ্ন অনেকের” খবরের শিরোনামে তাকে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাটের সাথে সিঙ্গাপুর গিয়ে জুয়া খেলতে দেখা গেছে বলে জানানো হয়েছে।

বলা হয়েছে, যুবলীগ দক্ষিণের নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাট টাকার বস্তা নিয়ে জুয়া খেলতে যান সিঙ্গাপুরে। প্রতি মাসে অন্তত ১০ দিন তিনি সিঙ্গাপুরে জুয়া খেলেন। এটি তার নেশা।সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে বড় জুয়ার আস্তানা মেরিনা বে স্যান্ডস ক্যাসিনোতে পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ থেকেও আসেন জুয়াড়িরা। কিন্তু সেখানেও সম্রাট ভিআইপি জুয়াড়ি হিসেবে পরিচিত। প্রথমসারির জুয়াড়ি হওয়ায় সিঙ্গাপুরের চেঙ্গি এয়ারপোর্টে তাকে রিসিভ করার বিশেষ ব্যবস্থাও আছে।এয়ারপোর্ট থেকে মেরিনা বে স্যান্ডস ক্যাসিনো পর্যন্ত তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বিলাসবহুল গাড়ি ‘লিমুজিন’যোগে। সিঙ্গাপুরে জুয়া খেলতে গেলে সম্রাটের নিয়মিত সঙ্গী হন যুবলীগ দক্ষিণের নেতা আরমানুল হক আরমান, মোমিনুল হক সাঈদ ওরফে সাঈদ কমিশনার, সম্রাটের ভাই বাদল ও জুয়াড়ি খোরশেদ আলম।
সাঈদ কমিশনারের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উল্লেখ করে বলা হয়েছে তিনি ১০ বছর আগে ঢাকায় গাড়ির তেল চুরির ব্যবসা করতেন। এখন তিনি এলাকায় যান হেলিকপ্টারে চড়ে। এমপি হতে চান আগামী দিনে। যার তোড়জোড় শুরু হয়েছে এখন থেকে। দোয়া চেয়ে এলাকায় লাগানো হচ্ছে পোস্টার।
আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের সভাপতির দ্বায়িত্বে থাকা মোমিনকে নিয়ে প্রথম আলো “জুয়ার টাকায় জৌলুশ ক্লাবে, খেলায় মনোযোগ নেই” শিরোনামে খবর প্রকাশ করে।

নবীনগরের বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামের এক রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম সাঈদের।তার পিতা এ কে এম জহিরুল হক ১৯৭০ সালে আঞ্চলিক ছাত্রলীগ-এর যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এবং ’৭৫ পরবর্তীতে আঞ্চলিক আ.লীগ এর সভাপতি ছিলেন।

  • এই বিভাগের সর্বশেষ