সিরিয়া-লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

প্রকাশিত: ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০২৪

সিরিয়া এবং লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার সিরিয়ার বন্দর নগরী বানিয়াসে বিমান হামলা চালানো হয়। একটি বেনামি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, বানিয়াস নগরীর উপকণ্ঠে দুটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত কয়েকটি স্থানে হামলা চালানো হয়েছে।

এর আগে গত জানুয়ারিতে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের একটি আবাসিক ভবনে হামলা চালায় ইসরায়েল। রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চলের মাজেহ এলাকায় ওই হামলা চালানো হয়। সেখানে লেবানন ও ইরানসহ বেশ কিছু দেশের কূটনৈতিক মিশন রয়েছে।

একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামিক রেব্যুলেশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। হামলার সময় আইআরজিসির এক কর্মকর্তা ও তার সহকারী ওই ভবনে ছিলেন।

 

এদিকে সোমবার ভোররাতে দক্ষিণ লেবাননের একটি খামারে ইসরায়েলি বিমান হামলায় বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কয়েক ডজন গবাদি পশু মারা গেছে।

রোববার লেবানন থেকে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল এবং গোলানে রকেট হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। গত অক্টোবরের পর এটাই সবচেয়ে অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গাজার উত্তরাঞ্চলেও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানে ইসরায়েলের বোমা হামলায় তিনজন নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছে।

ইসরায়েলের আরও একটি সামরিক স্থাপনায়ও হামলার দাবি জানিয়েছে হিজবুল্লাহ। সংগঠনটির দাবি, তারা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সীমান্তের কাছে ইসরায়েলের বায়াদ ব্লিদা সামরিক চৌকিতে সরাসরি হামলা চালিয়েছে।

এর আগে হিজবুল্লাহ পৃথক বিবৃতিতে সীমান্তের কাছে ইসরায়েলের অন্য তিনটি সেনাঘাঁটিতে গোলাবর্ষণ করার কথা জানায়। দক্ষিণ লেবাননের ইয়ারুন ও মারুন আল-রাসের এলাকায় আর্টিলারি হামলা চালানোর পরে হিজবুল্লাহ এই হামলা চালায়।

গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ইসরায়েলে হামলা চালাচ্ছে হিজবুল্লাহ। এর জবাবে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলও। এতে দুই পক্ষের মধ্যেই হতাহতের ঘটনা ঘটছে।

এদিকে গত ৭ অক্টোবরের পর অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ৩৮ হাজার ১৯৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৮৭ হাজার ৯০৭ জন।