সত্যের জয় অনিবার্য একজন এএইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ একজন দক্ষ প্রশাসক

প্রকাশিত: ১১:০১ অপরাহ্ণ, মে ২৯, ২০২৩

বিজয়নগর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ, তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি সরকারি কর্মকর্তা হিসাবে দেশের বিভিন্ন জেলায় কাজ করেছেন। সর্বশেষ তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিজয়নগর উপজেলায় যোগদানের পর হইতে বিজয়নগর উপজেলাকে আধুনিক উপজেলা গঠনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর নির্দেশে নির্মোহভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। গত তিনদিন ধরে উপজেলা পরিষদের এক কর্মচারীর বিষয়কে কেন্দ্র করে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে এবং একটি কুচক্রী মহল উনার ভাবমূর্তি নষ্ট করার চক্রান্তে লিপ্ত ছিল। অত্যান্ত আত্মমর্যাদাবোধ একজন মানুষ হিসাবে তিনি বিজয়নগরে দল-মত-নির্বিশেষে শ্রদ্ধা ভালোবাসা অর্জন করেছেন। যে কারণে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে তিনি একজন কর্মচারীকে উনার নামে রেজিস্ট্রিকৃত একটি সিম ব্যবহার করতে দিয়েছিল শুধুমাত্র মানবিক কারণে আর এই মানবতা তার আত্মমর্যাদায় আঘাত এনেছে এবং ওনার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কোর্টে একটি মামলা হয়। যেহেতু তিনি বলেছেন যে, এই বিষয় থেকে আমার শিক্ষা হয়েছে।কাউকে বেশি বিশ্বাস করতে নেই। তাহলে সামান্য একটা অজানা বিষয় নিয়ে মজা করার দরকার ছিল না। যেহেতু সৃষ্টিকর্তা বলেছেন, কেউ যদি তাহার ভুল বুঝতে পারে, তাহলে তাঁকে ক্ষমা করা উচিত।বিজয়নগরে সকল সম্মানিত ব্যক্তিরা স্যারের খুব কাছাকাছি থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরামর্শ মিটিংয়ে থাকে। আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ কোর্টের বিচারক, এই মিথ্যা মামলা খারিজ করে দিয়েছে। এমনকি এই মিথ্যা মামলার বাদী ও উকিল সাহেবকে মহামান্য কোর্ট তিরষ্কার করেছে। পরিশেষে প্রেসক্লাব বিজয়নগর পক্ষ হতে এই ধরনের সংবাদ দিয়ে কতিথ অনলাইন নিউজ পোর্টাল অনেকগুলিই কোন অনুমোদন নেই, তারা এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ এর নামে বিভ্রান্তির মধ্যে ভাবমূর্তিতে আঘাত করেছেন। উক্ত ঘটনায় বিজয়নগর সচেতন মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন তারা। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও বর্তমান সরকারের উন্নয়নের রথের একজন সারথি একজন দক্ষ প্রশাসক যিনি বিজয়ী নগর কে আধুনিক বিজয়নগর করতে শ্রম-ঘাম মেধা ব্যয় করছেন আর আমরা বিজয়ী নগরবাসী প্রতিদান হিসেবে উনাকে আত্মমর্যাদায় আঘাত করা চেষ্টা করেছি তাই আমি বলতে চাই আজকে যদি এই হীন কর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করে তাহলে আমরা জ্ঞানপাপী ও অকৃতজ্ঞ হয়ে যাব। পরিশেষে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই আহ্বান জানাই অনুরোধ করি বিজয়নগরে শুধুমাত্র একটি ডোমেইন কিনে রাতারাতি সাংবাদিক হয়ে যায় তাদের বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।