আবদুল হাই-এর মৃত্যুতে মোকতাদির চৌধুরী এমপি’র শোক

প্রকাশিত: ৮:৪৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০২০

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ছোট ভাই ও তার সহকারী একান্ত সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি। এক শোকবার্তায় মোকতাদির চৌধুরী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই ছিলেন আমার একজন ঘনিষ্ঠ সহপাঠী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নকাল থেকেই তাঁর সঙ্গে আমার অনেক ভালো সম্পর্ক ছিল। তিনি সবসময় মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করেছেন। তার মৃত্যুতে দেশ ও জাতি হারালো একজন দেশপ্রেমিক সন্তানকে এবং আমি হারিয়েছি একজন ঘনিষ্ঠ সহপাঠীকে। আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। উল্লেখ্য, মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার রাত ১টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা গেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ছোট ভাই ও তার সহকারী একান্ত সচিব মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। বঙ্গভবন সূত্রে জানা যায়, আবদুল হাইয়ের শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দিলে গত ২ জুলাই নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। পরে ৫ জুলাই তাকে ঢাকা সিএমএইচের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল শনিবার কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আবদুল হাইয়ের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক সরকারি কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক। তিনি পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় থাকতেন। রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রাষ্ট্রপতির নয় ভাই-বোনের মধ্যে আবদুল হাই ছিলেন অষ্টম। আবদুল হাই মিঠামইন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার, বিআরডিবির সভাপতি, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‌’প্রবাহ’ এর সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।