ওসি ফয়জুল আজীমের সাহসিক পদক্ষেপে উভয় পক্ষগণ প্রানহানি থেকে রহ্মা পায়

প্রকাশিত: ৮:৩৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৯

, বিজয়নগর থেকে।। বিজয়নগরে উপজেলার হরষপুর ইউপির বুল্লাহুগলি বিলে আধিপত্য বিস্তারে মাছ ধরাকে কেন্দ্রকরে দু-পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঘোষণা দিয়ে প্রায় নেমেই যান রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষে । এসময় খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুঁটেযান বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফয়জুল আজীম । সংঘর্ষ নিরসনে ঘটনাস্থলে (ওসি) মোঃ ফয়জুল আজীমের সাহসিক ও ভূয়সী পদক্ষেপে উভয় পক্ষগণ অল্পতেই সংঘর্ষের পথ পরিহার করে বিল থেকে সরে যান । এ ঘটনায় উভয়পক্ষের সংঘর্ষ চলতে থাকলে‘ আনুমানিক কয়েকশত নারী-পুরুষ হতাহত হত বলে‘ স্থানীয় এলাকাবাসীর সূত্রে: নিশ্চিত হয়ে মানবাধিকার কর্মী মিজানুর রহমান খান বলেন সংঘর্ষ নিরসনে ঘটনাস্থলে (ওসি) মোঃ ফয়জুল আজীমের সাহসিকতার সহিত পেশাগত দায়িত্ব পালনের প্রশংসা উঠে আসে জনসম্মুখে । গত শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার হরষপুর ইউপির বুল্লাহুগলি বিলে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে আধিপত্য নিয়ে দু-পক্ষের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পুলিশ বাধাদিলে পুলিশের সাথেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোদ্ধ সংঘর্ষকারীরা । এসময় অল্প সমেয়র সংঘর্ষে পুলিশ সহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন । আহত পুলিশের এএস আই মোশারফ হোসেন , আব্দুল ওয়াদুদ ও পুলিশ সদস্য সাইফুল সহ- আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে । ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ৫০ রাউন্ড ফাকা গুলি ছোড়তে হয়েছে । প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান ,হরষপুর ইউনিয়নের বুল্লা গ্রামের হুগলিবিল বুল্লাবড় উঠান মৎস্য জীবি সমবায় সমিতি জেলা প্রশাসন থেকে ইজারা নিয়ে বুল্লা গ্রামের সাবেক মেম্বার ফুল ইসলাম ও তার ছেলে বর্তমান মেম্বার কাওছার মিয়ার কাছে কয়েকদিন আগে মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি হিরালাল দাস ও সাধারন সম্পাদক নারায়ন দাস আবার নতুন করে ইজারা দেন । ইজারা নিয়ে বিলে মাছ ধরতে গিয়ে তারা পার্শবর্তী পাইকপারা ,হাজিপুর ,হাতুরা পাড়া গ্রামের ব্যাক্তি মালিকানাধীন জমিতে বাধ নির্মান করলে পাইকপাড়া গ্রামের কাসেম মেম্বার ও রাজু সরদারের নেতৃত্বে একদল লোক বাধা দেয়। পরে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করায় প্রশাসন উভয় পক্ষকে নিয়ে একাধিক বৈটক করে ।গত তিনদিন আগে এই ঘটনাকে উস্কে দিতে কাওসার মেম্বোর মৎস্যজীবি সমিতির লোকজন দিয়ে সাম্প্রদায়ীক দাঙ্গা সৃষ্টি করতে তাদের আত্বীয় নাসির নগর উপজেলার নিহারন্দ চক্রবর্তী নামের একটি ফেইজবুক আইডি থেকে মুসলমানরা হিন্দুদের নির্যাতন করা হচ্ছে বলে একটি ভিডিও আপলোড করে গুজব ছরায় এতে কাজ না হলে আজ শনিবার সকাল ১০ টার দিকে বুল্লা গ্রামের মসজিদের মাইকে সাবেক মেম্বার ফুল ইসলাম ও কাওছার মেম্বারের লোকজন পাইকপড়া, হাজীপুর, হাতিরা পাড়া গ্রামে হামলা চালানোর ঘোষনা দেয় ,পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে সাবেক মেম্বার ফুল ইসলাম ও কাওছার মেম্বারের লোকজন পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল ছোড়ে এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা করলে পুলিশ সহ প্রায় ১৫ জন আহত হয় ।